tubetranscript.io

Do or Die - Physics · Transcript · · Updated

ATOM 01 – Transcript

Video by Do or Die - Physics · Watch the original on YouTube

Summary

AI-generated from the transcript. Verify details against the source video.

  • বোরের পরমাণু মডেলে শক্তি স্তরের স্বীকার্য অনুসারে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি গ্রহণ বা বর্জন করে কক্ষপথ পরিবর্তন করে।
  • তেজস্ক্রিয়তার ক্ষেত্রে পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে আলফা, বিটা এবং গামা বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি বের হয়ে আসে।
  • তেজস্ক্রিয় পরমাণুর ভাঙ্গনের হার ওই খন্ডে উপস্থিত পরমাণুর সংখ্যার সমানুপাতিক হয়।
Video thumbnail: ATOM 01
Source video on YouTube · Transcript generated automatically and may contain errors.

Use this video with Pro

Reading, copying and transcript downloads are free. Create saved AI results for this video with a signed-in Pro account ($9/month).

Transcript

Search ignores accents. All transcript text stays visible.

[মিউজিক]

ওকে সো হ্যালো এন্ড ওয়েলকাম এভিওয়ান। সবাইকে ওয়েলকাম জানাচ্ছি আমাদের আজকের ক্লাসে। আচ্ছা তো সবাই যুক্ত হলে আমরা ক্লাসটা শুরু করতে পারি। স আমি তোমাদের কথা দিয়েছিলাম যে তোমাদের যেহেতু পি টেস্ট পরীক্ষা। সো পিটেস্ট পরীক্ষায় অনেকেরই হচ্ছে পরমাণুর

গঠন আছে। সো পিটেস্ট পরীক্ষা কেবল শুরু হইছে অনেকের। সো পরমাণু গঠনের উপরে এটা পড়লে তোমাদের পি টেস্টের পরীক্ষাটা দেওয়া তোমাদের অনেক ইজি হয়ে যায়। অনেকে এটা জানাইছিলা লাস্ট ক্লাসে এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তা আজকের একটা ক্লাসে পরমাণু গঠন এমনিতে বড় চ্যাপ্টার না। এটা তো আমরা ইন্ডিভিজুয়ালি শুরুই করব করে। বাট আজকের ক্লাসে আমি যাবতীয় যা সূত্র আছে যা দিয়ে পিটেস্ট পরীক্ষায় আসলে প্রশ্ন আনসার করে আসা যাবে। সেটা তোমাদেরকে দেখায় দিব। বলেছিলাম। তোটা আমরা করব। আমরা এর আগে মডার্ন ফিজিক্স

পড়তেছিলাম। তিনটা ক্লাস হইছে মডার্ন ফিজিক্সের। আরেকটা ক্লাস আছে মডার্ন ফিজিক্সের। বাট ওটা জাস্ট এক্সট্রা ক্লাস আরো একটু টুকরাটা জিনিসপত্র পড়াবো। বাট এই পর্যায়ে আমরা আজকের ক্লাসে পরমাণুর গঠন পরমাণুর গঠন এইটার একটা রিভিউ ক্লাস নিব। এখানে তেজস্ক্রিয়তার কিছু সূত্র আছে। পরমাণুর গঠনের কিছু সূত্র আছে। ওই সূত্রগুলো দেখা দিব। যাতে করে তোমরা ফিটেশ পরীক্ষাতে এখান থেকে এমসিকউ আসলেও কিছু

কোশ্চেন আসলে আসার করতে পারো। হাই কি অবস্থা? আজকে কি বিষয় ক্লাস বুঝা দিলে ভালো হইতো? বুঝ না পরমাণুর গঠনের একটা রিভিউ ক্লাস এখানে আমি সকল সূত্র এই চ্যাপ্টারে আলোচনা করে দিব এবং এরপরে নরমালি ক্লাস অনুযায়ী আবারও এটার উপরে ক্লাস হবে এক দুই তিন এভাবে করে ক্লাস হবে বাট কেন এটা আগে করে নিচ্ছি পিটেস্ট পরীক্ষা তোমাদের অনেকে জানাইছো যে ভাইয়া এই চ্যাপ্টারটা আছে পিটেস্ট পরীক্ষায় অনেকের

আছে আমরা যেহেতু এর আগে পর্যন্ত ক্লিয়ার করে ফেলছি তো একটা চ্যাপ্টার আছে এটা যদি আছে ক্লাসের রিভিউ দিয়ে দি তাহলে তোমাদের পিটে পরীক্ষা সুবিধা হবে তাই ওকে তানজিম ফাইন ওয়ালাইকুম আসসালাম হোপফুলি সবাই ভালো আছো তাইলে চল আর দেরি না করে হচ্ছে গিয়ে আমরা এটার উপরে যা সূত্র আছে ওগুলো একটু পড়ে নেই ঠিক আছে আচ্ছা

ফাইন তাইলে পরমাণুর গঠন ও তেজস্ক্রীয়তা প্রথমে যে অংশটা আছে সেটা হচ্ছে পরমাণুর স্ট্রাকচারতো প্রথমে কিছু জিনিসপত্র আছে তোমরা পড়লেই বুঝবা যে রেদারফোরডের পরমাণু মডেল বোরের পরমাণু মডেল এরকম কতগুলো পরমাণু মডেল আছে যেগুলো আমরা কেমিস্ট্রিতে পড়তে পড়তে অভ্যস্ত। ঠিক আছে? আচ্ছা

একচুয়ালি বোরের যে পরমাণু মডেল আছে বোরের পরমাণু মডেল। ওকে ফাইন। বোরের পরমাণু মডেলটাই হচ্ছে গিয়ে গ্রহণযোগ্য মডেল। বোরের পরমাণু মডেলে মোট তিনটা সীকার্য আছে। এর মধ্যে প্রথম

শীকার্য হচ্ছে গিয়ে শক্তি স্তরের সীকার্য। হ্যা শক্তি স্তরের শিকার্য। এবং এখানে বলা হয় যে পরমাণুগুলো সবসময় একটা নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে। নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি না পাইলে সে উপরের কক্ষপথে যায় না বা নিচের কক্ষপথে নেমে আসে না। ব্যাপারটা এরকম পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে প্রোটন এবং নিউটন।

আর ইলেকট্রনগুলো হচ্ছে গিয়ে থাকে এই কক্ষপথে। এখন এই ইলেকট্রন যখন এক্সট্রা কিছু শক্তি পায়। হ্যাঁ। এক্সট্রা কিছু শক্তি গ্রহণ করে তখন সে লাভ দিয়ে এখানে চলে আসে। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি গ্রহণ করলে। ওর থেকে কম হইলে হবে না। এক্সাক্টলি ওইটুকু হলেই উপরের কক্ষপতে যায়। যদি এতটুকু শক্তি সে গ্রহণ করে অথবা

যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি সে হচ্ছে গিয়ে ছেড়ে দেয় তাইলে নিচের কক্ষপথে আসে। এটা হচ্ছে শক্তি স্তরের স্বীকার্য। ফাইন। এরপর দ্বিতীয় স্বীকার্য যেটা আছে সেটা হচ্ছে কৌণিক ভরবেগের স্বীকার্য। কৌণিক ভরবেগ। কৌণিক ভরবেগ। এটা কিন্তু রিভিউ ক্লাস। এগুলো ডিটেলস কিন্তু আমরা পড়বো আমাদের নরমাল রেগুলার ক্লাসে। হ্যা এখন জাস্ট

পরীক্ষা চালানোর জন্য এটা আমরা পড়ে ফেলতেছি। সো এই যে ইলেকট্রনগুলো ঘুরতেছে আমরা দেখতেছি যে ইলেকট্রনগুলো এখানে ঘুরতেছে। ইলেকট্রনগুলো যে ঘুরতেছে ইলেকট্রনগুলোটা কৌণিক ভরবেগ থাকবে। বৃত্তীয় পথে ঘুরতেছে। এইখানে এইটাতে বলছে এই ইলেকট্রনগুলোর কৌণিক ভরবে। কৌণিক ভরবেগকে আমরা প্রকাশ করি এল দিয়ে। ইলেকট্রনগুলোর কৌণিক ভরবেগ

হয় হচ্ছে এইচ বাইটু প এর সরল গুণিতক ওকে এন এইচবাট এই হচ্ছে প্লাঙ্কের ধ্রুব আমরা এটা জানি তাহলে এইবাট এর গুণিতক হয় বুঝতে পারছ এইযে ইলেকট্রনটা ঘুরতেছেটা কৌণিক ভরবেগ আছে সেটা হচ্ছে গিয়ে এইবাট গুণিতক এন দ্বারা বুঝাচ্ছে জ একদ তত এভাবে করে স্বাভাবিক সংখ্যা ঠিক আছে আচ্ছা এবং

আমরা এটা জানি যে কৌণিকভাবে বেস লেখা যায় এমভি আর কৌণিক ভরবেগ একা লেখা যায় এমভি আর ভি হচ্ছে ইলেকট্রনটার বেগ আর আর হচ্ছে এটার গুণন ব্যাসার্ধ নিউক্লিয়াস কেন্দ্র করে ঘুরছে আর এম হচ্ছে এটার ভর ওকে তো আমরা বুঝতে পারছি এ সূত্রটাকে আমরা এভাবে লিখতে পারব এখান এমস আসতে পারে যে একা এমভি

আর ইকুয়াল এবাট ওকে এখন এখন এই এন কে আমরা এভাবে চিন্তা করব যে কত নাম্বার কক্ষপথ প্রথম কক্ষপাত বললে এন এর ভ্যালু এক দ্বিতীয় কক্ষপথ বললে এন এর ভ্যালু দুই তাহলে বুঝতে যদি বলে দ্বিতীয় কক্ষপথ ইলেকট্রনের বেগ এখান থেকেও কিন্তু বের করা যাবে এ দুই বসা দিলাম আর যদি দ্বিতীয় কক্ষপথের ব্যাসার্ধ আমরা জানি তাহলে এখান থেকে আমরা বের করতে

পারব দ্বিতীয় কক্ষপথ ইলেকট্রনের বেগ কত এটা দ্বিতীয় শীকার্য আর তিন নাম্বার শীকার্য যেটা আছে সেটা হচ্ছে শক্তির শক্তি স্তরের শক্তি শক্তি স্তরের শক্তি আমরা জানি শক্তি স্তরগুলোতে ইলেকট্রন

হচ্ছে গিয়া কখনো উপরে যায় কখনো নিচে নেমে আসে শক্তি পাইলে উপরে যায় আর হারাইলে নিচে নেমে চলে আসে তাইলে এই স্তরগুলো শক্তির যে পার্থক্য লেটস এটা দুইটা স্তর ওকে আচ্ছা এইটা হচ্ছে নিচের স্তর ই এল লোয়ার সেল এটা হচ্ছে উপরের শক্তি স্তর যেটা হচ্ছে আপার সেল ইউ লোয়ার আপার ওকে ইল এবং হচ্ছেই ইউ

লোয়ার সেল এবং হচ্ছে গিয়া আপার সেল এখন আমরা জানি যে এই দুইটার মাঝে শক্তির আসলে পার্থক্য আছে এই নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি যদি পায় তাইলে ইলেকট্রন এখান থেকে এখানে যায় ওকে আচ্ছা বুঝতে এই শক্তিস্তরে শক্তি বেশি উপরের শক্তি স্তরে শক্তি বেশি। তো এদের মধ্যে শক্তি স্তরের পার্থক্য হবে ইউ

উর্ধশক্তি স্তর মাইনাস নিম্ন শক্তি স্তর। এই শক্তির পার্থক্য ইকয়াল হচ্ছে এইচ এফ। শক্তি স্তরে শক্তির পার্থক্যটা হচ্ছে এইচ এফ এর সমান। এফটা হচ্ছে বিকিরণের আমরা এটা মডারন ফিজিক্স দেখছি। আমরা মডারন ফিজিক্সে এটা অলরেডি দেখছি। কম্পাঙ্ক। বিকিরণের কম্পাঙ্ক। যে শক্তিটাও শোষণ করে ইলেকট্রন

এখান থেকে যখন এখানে যায় ও যে শক্তিটা শোষণ করে সেই শক্তির তো একটা কম্পাঙ্ক থাকবে। মানে একটা নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের শক্তিকে যদি সে এবজর্ব করে এবং তাতে যদি এই এতটুকু পরিমাণ শক্তি হয় পার্থক্যের সমান তাইলেই উপরে যাবে। আবার যদি এই নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের শক্তি বিকিরণ করে তাইলেই সে নিচে আসবে। ঠিক আছে? তাহলে এই তিনটা হচ্ছে গিয়ে বোরের শিকার্য। এই তিনটা

তোমাদের জানতে হবে। এই দুইটা থেকে এমসিকউ আসতে পারে। ওকে? আচ্ছা এটা কিন্তু একটা রিভিউ ক্লাস। আমরা সকল সূত্র সূত্র বাই সূত্র জিনিসটা পড়ে ফেলবো। এটাই আমাদের আজকের উদ্দেশ্য। ঠিক আছে। আচ্ছা ফাইন। ওকে।

থ্যাংক ইউ মাহিন। আচ্ছা। ফাইন। সো এইটা আমরা সবাই বুঝে ফেলছি। স চল এরপর এই তিনটা সূত্র আমরা বুঝে ফেললাম। তো তারপরে কি দেখ তারপর হচ্ছে গিয়ে এখন এই সূত্র তিনটা ইউজ করে এই সূত্র

তিনটা ইউজ করে আমরা একটা পরমাণুর গঠনটা বের করতে পারি। মানে পরমাণু সম্পর্কে বিভিন্ন প্রপার্টি বের করতে পারি। পরমাণুর প্রপার্টি গুলো কি কি সেগুলো আমরা একটু দেখি যে আমরা দেখছি নিউক্লিয়াসে প্রোটন এবং নিউট্রন আছে। ওকেযে বিভিন্ন শক্তি স্তর চারপাশে আছে। এইযে অনেকগুলো শক্তি স্তর। এখন

একটা ইলেকট্রন লেটস এই কক্ষপথে আছে। তহলে ইলেকট্রনের কি কি জিনিস আছে? নাম্বার ওয়ান হচ্ছে গিয়ে ইলেকট্রনটা একটা ব্যাসার্ধে ঘুরতেছে। ইলেকট্রনটা একটা ব্যাসার্ধে ঘুরতেছে। আমাদের কখনো কখনো এই ব্যাসার্ধটা নির্ণয় করতে হবে যেই কক্ষপথের ব্যাসার্ধ কত? ধরলাম এটা এনতম কক্ষপথ। তাহলে এনতম কক্ষপথের ব্যাসার্ধ কত? এটা

নির্ণয় করতে হয়। পাশাপাশি এই ইলেকট্রনটা এখানে একটা স্পর্শকীয় বেগ আছে। সেটা ঘুরতেছে। তাহলে এটাও বের করতে হয়। এনতম কক্ষপথে ইলেকট্রনের বেগ কত?

ওকে ফাইন আরো বের করতে হতে পারে যে এই যে ইলেকট্রনটা এখানে ঘুরতেছে তার তো একটা শক্তি আছে মানে এনতম কক্ষপথে ইলেকট্রনের শক্তি কত এই তিনটা টার্ম আমাদের বের করতে বলে এবং এই তিনটা টার্মই আছে যার সূত্র প্রমাণ করা আছে এবং এই সূত্রগুলাই লাগে প্রমাণ লাগে না আমরা তো প্রমাণ দেখবই আমাদের রেগুলার ক্লাসে বাট আ ক্লাসে আমরা সূত্র তোমাদের পরীক্ষায় কোন পারা হবে না

তাহলে এখান থেকে আমরা বুঝতেছি যে আরন ঠিক আছে ব্যাসার্ধ প্রত্যেকটা নির্ণয়ের সূত্র আমি বলে দিচ্ছি আর এর নির্ণয়ের সূত্র হচ্ছে এন স্কয়ার এইচ স্কয়ার এসাইন নট ডিভাইডেড বাই পাই এমই স্কয়ার ডিভাইডেড বাই পাই এমই স্কয়ার ঠিক আছে এটা হচ্ছে আর এন নির্ণয়ের সূত্র

তারপর আমাদের বেগ নির্ণয়ের সূত্র ভিএন ইকাল হচ্ছে ই ডিভাইডেড বাই রুট ওভার ফর পাই এসাইল নট এম আর এন ওকে এইটা দিয়ে আমরা বেগ নির্ণয় করতে পারবো এই ইলেকট্রনটার আর ওই

কক্ষপথের মোট শক্তি এনতম কক্ষপথের মোট শক্তি ইকয়ালসু হবে মাইনাস পাই এম ই টুদি পাওয়ার ফর এই এন স্কয়ার এইচ স্কয়ার এসাইন নট স্কয়ার ওকে তাহলে আমরা দেখতেছি এই তিনটা সূত্র সবাই ডেফিনেটলি মনে রাখতে পারব ঠিক আছে

আচ্ছা ফাইন এখান থেকে দেখো যে এগুলাকে ছোট করা যায় এই ভ্যালুগুলো অনেক বড় বড় যেমন প্লাঙ্কের ধ্রুবক এফসাইন ন এগুলো ভ্যালু আমরা জানি ভুগুলো তাও আমি একবার রিকল করে দিচ্ছি প্লাঙ্কের ধ্রুবকের এর মান আমরা জানি 6.63 * 10 টু দি পাওয়ার - 34 জুল সেকেন্ড অনেক বড় বড় সংখ্যা বড় সংখ্যা বলতে মানে এটা তো অনেক ছোট সংখ্যাই বাট পাওয়ার গুলো

Frequently asked questions

বোরের পরমাণু মডেলে মোট তিনটি স্বীকার্য রয়েছে, যার প্রথমটি শক্তি স্তরের স্বীকার্য।

নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ নির্ণয়ের সূত্রটি হলো আর সমান আর নট এ টু দি পাওয়ার ওয়ান থার্ড।
Transcript of ATOM 01 by Do or Die - Physics. Generated automatically and may contain errors.Data extracted and normalized by TubeTranscript.io RAG Engine.Rights holder? Request removal (DMCA)