Study with vaskar sir · Transcript · · Updated
CU 1st semester constitutional value suggestion 2026 | CU 1st semester constitutional value CVAC – Transcript
Video by Study with vaskar sir · Watch the original on YouTube
Summary
AI-generated from the transcript. Verify details against the source video.
- ১৯৭৬ সালে সরদার স্মরণ সিংহ কমিটির সুপারিশে ৪২ তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে মৌলিক দায়িত্ব যুক্ত করা হয়।
- ২০০২ সালের ৮৬ তম সংশোধনীর মাধ্যমে শিক্ষার অধিকার সংক্রান্ত আরো একটি দায়িত্ব যুক্ত হয়ে বর্তমানে মৌলিক দায়িত্বের সংখ্যা ১১ টি হয়েছে।
- ডিডি বসু মন্তব্য করেন যে আইনি বাধ্যকতার অভাবে মৌলিক কর্তব্যগুলি অনেকটাই কেবল নৈতিক উপদেশের স্তরেই থেকে গেছে।

Use this video with Pro
Reading, copying and transcript downloads are free. Create saved AI results for this video with a signed-in Pro account ($9/month).
Transcript
Search ignores accents. All transcript text stays visible.
আজকের ক্লাসে তোমাদের মডিউল টু থেকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ 25 নম্বরের প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। তোমরা যারা প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রছাত্রী আছো এখন তোমাদের কনস্টিটিউশনাল ভ্যালু সাবজেক্টের ক্লাস আছে। আর এই সাবজেক্টটা প্রথম সেমিস্টারে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর জন্য কম্পালসারি পেপার তোমরা প্রত্যেকেই জেনে গিয়েছো। দেখো প্রথম প্রশ্ন আজকের ক্লাসে থাকছে ভারতের সংবিধানের মৌলিক দায়িত্বের উদ্ভবের প্রেক্ষাপট। এখানে দেখো প্রথমেই
এই মডিউল টু এর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে সংবিধানের 51র ক ধারায় যে 11 টি মৌলিক কর্তব্য আছে সেই মৌলিক কর্তব্য তারপরে মৌলিক কর্তব্যের উদ্ভব কিভাবে হয়েছে সেটা আজকের ক্লাসে আলোচনা করা হচ্ছে ওই প্রশ্নটা আমি আগে আলোচনা করেছি দেখো এখানে প্রথমেই ইন্ট্রোডাকশন অর্থাৎ ভূমিকা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নাগরিকদের অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর অবিচ্ছেদ্য মূল সংবিধানে নাগরিকদের জন্য কেবল মৌলিক অধিকারের কথা
বলা হলেও পরবর্তী কালে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি কর্তব্যের প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে অনুভূত হয়। প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হারাল্ড লাস্কি তার তর্থে যথার্থই বলেছেন অধিকার ও কর্তব্য হলো মূলত একই মুদ্রার দুটি দিক। একটিকে বাদ দিয়ে অপরটিকে অপরটি অর্থহীন। এই নীতির সামনে এই নীতিকে সামনে রেখেই ভারতের সংবিধানে মৌলিক দায়িত্ব
কর্তব্যের ধারণার উদ্ভব ঘটে। যা ভারতীয় রাজনীতি ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। তারপর হচ্ছে ভারতের সংবিধানে মৌলিক দায়িত্বের উদ্ভবের প্রেক্ষাপট। ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক দায়িত্বের উদ্ভবের প্রেক্ষাপট। 1950 সালে 26শে জানুয়ারি যখন ভারতের মূল সংবিধান কার্যকর হয় তখন তাতে মৌলিক অধিকার ও নির্দেশমূলক নীতির উল্লেখ থাকলেও
নাগরিকদের কোন মৌলিক দায়িত্বের কথা সরাসরি লিপিবদ্ধ ছিল না। তখন অধিকার আর নির্দেশমূলক নীতি ছিল। কিন্তু দায়িত্বের কথা উল্লেখ ছিল না। সংবিধানে পুনয়ন তারা সম মানে সম্ভবত মনে করেছিল যে স্বাধীন ভারতের নাগরিকরা স্তস্ফুর্তভাবে তাদের গণতান্ত্রিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করবেন। তাছাড়া ভারত মূলত পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলির সংবিধান দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। সেখানে কর্তব্যের
চেয়ে অধিকারের উপর বেশি জোর দেয়া হয়। তবে সময়ের সাথে সাথে দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রেই নাগরিকদের অধিকার ভোগ মানে যতটা সচ্চার দায়িত্ব পালনে ততটা সচেতন নয়। এই প্রেক্ষাপটে সোভিয়েত ইউনিয়নের মত সমাজতান্ত্রিক দেশগুলির সংবিধান দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভারতীয় সংবিধানেও নাগরিক কর্তব্যের বিষয়টি যুক্ত করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়। মৌলিক দায়িত্বের উদ্ভবের
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষ কারণটি হচ্ছে 1975 সালে জারি হওয়া অভ্যন্তরীণ জরুরি অবস্থা। জরুরি অবস্থা চলাকালীন দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার সময় তৎকালীন সরকার অনুভব করে যে সংবিধানে সুস্পষ্ট কর্তব্যের উল্লেখ না থাকলে রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও জাতীয় সংহতি ব্যহত হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সুভাষী ক্যাশব
মন্তব্য করেছেন মৌলিক দায়িত্বগুলি সংবিধানে যুক্ত করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল অধিকারের অধিকার সর্বোচ্চ মানসিকতার অবসান বলছে অধিকার সর্বোচ্চ মানসিকতার অবসান ঘটিয়ে নাগরিকদের মধ্যে জাতীয় স্বার্থ ও শৃঙ্খলার প্রতি গভীর দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা সরকার উপলব্ধি সরকার উপলব্ধি করে যে নাগরিকদের দেশপ্রেম সচেতনতা এবং শৃঙ্খলা
পরায়ণ করে তুলতে সংবিধান সুস্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা অত্যন্ত জরুরি। যাতে ধ্বংসার্থ কার্যকলা প্রতিরোধ করা যায়। তারপর হচ্ছে এই ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে 1976 সালে সরদার স্মরণ সিংহ এর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির প্রধান কাজ ছিল সংবিধানের মৌলিক দায়িত্ব
সংযোজনের প্রয়োজনীয়তা ক্ষতিয়ে দেখে এ ক্ষতিয়ে দেখা এবং সুপারিশ করা। কমিটির সুপারিশ মেনেই 1976 সালে বিতর্কিত 42 তম সংবিধান সংশোধন আইন পাশ হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ খন্ডের পর একটি নতুন অংশ অংশ এবং 51র ক নম্বর ধারা যুক্ত করে নাগরিকদের জন্য 10টি মৌলিক দায়িত্ব
লিপিবদ্ধ করা হয়। আর পরবর্তীকালে 2002 সালের 86 তম সংশোধনীর মাধ্যমে শিক্ষার অধিকার সংক্রান্ত আরো একটি দায়িত্ব যুক্ত করে বর্তমানে মৌলিক দায়িত্ব বা কর্তব্যের সংখ্যা মোট দাঁড়ায় 11 টি। দায়িত্ব আর কর্তব্য কিন্তু এক। এটা মাথায় কিন্তু রাখবে। এবার উপসংহার দেখে নাও। উপসংহারটা আলোচনা করছি না। তোমরা দেখে নাও। একটা বিষয় তোমাদের এখানে বলব। তোমাদের জন্য অনলাইন কোচিং ক্লাস চলছে। তোমরা যদি কেউ
পেইড ব্যাচে এডমিশন নিতে ইচ্ছুক থাকো বা আমাদের থেকে উন্নতমানের পিডিএফ নোটস অর্থাৎ স্টাডি মেটেরিয়াল পারচেস করতে চাও তাহলে তোমরা স্ক্রিনে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করতে পারো। এখানে দ্বিতীয় প্রশ্ন কি আছে? ভারতের সংবিধানে উল্লেখিত মৌলিক কর্তব্যের সীমাবদ্ধতা। এবার এই যে মৌলিক কর্তব্য তার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে সেগুলো আলোচনা করব। এখানে প্রথমে ইন্ট্রোডাকশন অর্থাৎ ভূমিকা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের অধিকার এবং কর্তব্য
সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। 1976 সালে 42 তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সরদার স্মরণসিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ভারতের সংবিধানের চতুর্থ খন্ডের পর 51র ক ধারায় নাগরিকদের জন্য মৌলিক কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নাগরিকদের মধ্যে দেশপ্রেম শৃঙ্খলা ও জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করা এবং গণতান্ত্রিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ
বলছে সরি অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। তবে মহৎ উদ্দেশ্যগুলি এই মহৎ উদ্দেশ্য এগুলো সংবিধানে যুক্ত হলেও এর বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা ও কাঠামোগত ত্রুটি সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ডিডি বসু মন্তব্য করেন মৌলিক কর্তব্যগুলি সংবিধানে যুক্ত হলেও আইনি বাধ্যকতার অভাবে
এগুলি অনেকটাই কেবল নৈতিক উপদেশের স্তরেই থেকে গেছে। এবারে সীমাবদ্ধতা কি? প্রথম হচ্ছে আইনি প্রয়োগযোগ্যতার অভাব। প্রথম পয়েন্ট আইনি প্রয়োগযোগ্যতার অভাব। মৌলিক কর্তব্যগুলির সবচেয়ে বড় ত্রুটি হলো এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবাদযোগ্য নয়। মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন হলে নাগরিকরা যেমন আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে। মৌলিক কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হলে সংবিধান সরাসরি কোন
শাস্তির বিধান নেই। এর ফলে এগুলি পালন সম্পূর্ণভাবে নাগরিকদের ব্যক্তিগত সদিচ্ছার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আইনি বাধ্যকতা না থাক না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে নাগরিকরা এই কর্তব্য পালন অবহেলা করেন। তারপর হচ্ছে অস্পষ্ট ও জটিল পরিভাষা। সংবিধানে কর্তব্যগুলিতে ব্যবহৃত অনেক শব্দ বা পরিভাষা অত্যন্ত অস্পষ্ট জটিল এবং
সাধারণ বোধগম্যতার বাইরে যেমন মহান আদর্শ মিশ্র সংস্কৃতি তারপরে মানবিকতাবাদ বা বৈজ্ঞানিক মানসিকতা ইত্যাদি শব্দের সুস্পষ্ট সর্বজন গাছ কোন আইনি ব্যাখ্যা সংবিধানে দেওয়া নেই। এই প্রসঙ্গে প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সুভাষী ক্যাশব যথার্থই বলেছেন এই কর্তব্যগুলির ভাষা এতই অস্পষ্ট এবং আদর্শগত
যে সাধারণ মানুষের পক্ষে এর সঠিক অর্থ অনুধাবন করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। তারপর হচ্ছে অসম্পূর্ণ তালিকা। সমালোচকদের মতে সংবিধানে উল্লেখিত কর্তব্যের তালিকাটি মোটেও সম্পূর্ণ নয়। একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত দায়িত্ব থাকে যা এই তালিকায় স্থান পায়নি।
উল্লেখ্য বিষয় হলো স্মরণসিং কমিটি নিয়মিত কর প্রদানকে একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য হিসেবে সুপারিশ করলেও তা শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি। এছাড়া নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা বা পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করার মত অত্যন্ত জরুরি বিধানগুলি মৌলিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত না হয় না হওয়ায় একটি বড় সীমাবদ্ধতা।
তারপরে সংবিধানের কাঠামোগত অসামঞ্জস্যতা। মৌলিক অধিকারগুলি সংবিধানের তৃতীয় অংশে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু মৌলিক এখানে কি বলছে দেখো। মৌলিক অধিকারগুলি তৃতীয় অংশে গুরুত্বের সঙ্গে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু মৌলিক কর্তব্যগুলি তৃতীয় অংশের সাথে সমঞ্জস্য রেখে যুক্ত না করে রাষ্ট্র পরিচালনায় নির্দেশমূলক নীতির পর
চতুর্থ অংশে একটি পরিশিষ্ট বা লেজুর লেজুর হিসেবে লেজুর হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে কাঠামোগত দিক থেকে অধিকারের তুলনায় কর্তব্যকে যেন কিছুটা গৌণ ও কম গুরুত্ব সম্পন্ন বলে মনে হয়। যা নাগরিকদের কাছে একটি নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে। তারপরে কি? নৈতিক উপদেশের আধিক্য। মৌলিক
কর্তব্যগুলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এগুলি সাধারণত আইনি নির্দেশিকার চেয়ে ধর্মীয় বা নৈতিক উপদেশ একটি তালিকার মতো বেশি কাজ করে। যেহেতু এগুলো পেছনে রাষ্ট্রের কোন কঠোর আইনি অনুমোদন নেই। তাই ভারতের মত বিশাল ও বৈচিত্র বৈচিত্রময় দেশে সাধারণ মানুষের জীবনে এগুলি অনেক ক্ষেত্রেই নিছক আদর্শগত বুলি হিসেবেই থেকে
যায়। রাজনৈতিক সমতা ও সুশিক্ষার অভাব এর যথাযথ প্রয়োগকে আরো কঠিন করে তোলে। এবার উপসংহার দেখো। উপসংহার দিয়ে প্রশ্নের উত্তর শেষ করতে হবে।